Tuesday, June 10, 2014
নগ্নতায় বাংলাদেশ
Monday, June 9, 2014
বল পোন্দে মাতরম (সম্পুর্ন)
"বল পোন্দে মাতরম"
-ওরে ও চাঁদু দাদা তোরা সব নেহাত্ ভাদা, গায়েতে ছুড়বি কাঁদা, করে দেবো পেট্টা ছ্যাদা। তোরা সব দাড়ায়ে চ্যাতনায় স্বাদের ধন কাঁকে খায়, পড়েছি ভেষম দায়, জাত গেল হায়!হায়!হায়! বল পোন্দে মাতরম, জাত যায়,জাত যায়! * মূর্তি গুলো ভিষন বোকা বোঝেনা মনের কথা, এ আবার কেমন বিধাতা? বল পোন্দে মাতরম,ছিড়ে ফেল ইতিহাসের পাতা। চলে যা ভারত বাড়ি, ভেঙ্গে ফেল ধম্ম জাড়ি! মদ্দ বোতল সাড়ি সাড়ি, একটা লিয়ে লে, বল বিধাতা,হাত জোড় করি আমায় কিছু দে। তোরা সব মদ্দ মাতাল, আমায় জানি,বলবি চারাল? ইতিহাস ও কি করবি আড়াল? তোরা সব ঠগীর দোসর, ঠগীর সাথে করিস বাসর। সত্য বলি নাই কো কসুর! আজ্ঞে মাফ করবেন সত্য বলে ফেলেছি বাপুরাম, বল পোন্দে মাতরম। সত্য বলি নাইকো ভয়, হেঁদু হলে জীবন ক্ষয়! জাতীভেদে বাধা শালা- ব্রাহ্মন দেয় কানে ডলা! নিচু জাত আর করবি কত ঢং? বল পোন্দে মাতরম। খায় খায় সব রামায় খায়, শীতারে না একটু দেয় , নারী হায় কলঙ্কিনী! হেঁদুদের এই নিয়মনীতি। বিধাতায় কয় খাস কি বাপু? নিম্ন জাত ব্রাহ্মনের গোলাম, সমস্বরে বলি আসো পোন্দে মাতরম! হায় হায় হায় করে একি, ধোপার মেয়ে ঘরের বৌঝি? ছ্যাঃ ছ্যাঃ ছ্যাঃ জাত গেল জাত গেল! শালী কেন জন্মের সময় নিচু জাত হয়ে জন্মালি? দেবী তো রেগেই আগুন, পায়ের তলায় স্বামীই খুন! ভক্তরা সব জাতেই মাতাল, বল রম রম রম বল পোন্দে মাতরম! খেতে গেলে হজমী দেবী, পড়তে গেলে বিদ্যা দেবী, টাকা পয়সায় ধন দেবী, টয়লেটেও কি একই তিনি? দেবীর সামনে ধর্ষনলীলা, ছোট ছেলের মুন্ডু কাঁটা, হায় দেবী নাম জপি, দেবী কি তোর তাহলে বিশ্ব ডাকাতনী? দুধ নারকেল উজাড় করি , দেবী খাবে নারকেল নাড়ু, হায় দেবী রাক্ষসী তুই সব খাবি? আমরা খাব কি? রম রম রম ছ্যাঃ কি অলুক্ষুনে কথা, কেঁটে নেবো তোর মাথা! দেবীকে দে পুত পুত পুত নম নম নম! সমস্বরে বলনা কেন পোন্দে মাতরম বল পোন্দে মাতরম।
লেখকঃ-সজল আহমেদ
Sunday, June 8, 2014
হিন্দু আর তাদের মোল্লা বিদ্বেষ
নোটিশ নামাঃ-হ্যালো পাঠক আপনি যদি হিন্দুত্ব মালুত্ববাদী কেহ হইয়া থাকেন তহা হইলে এই লেখাটা আপনার জন্য নহে।এইলেখাটা ক্লিক না করাই আপনার জন্য শ্রেয়। ধন্যবাদ।
কবি নজরুল তুমি করিয়াছ ভুল দাড়ি না রাখিয়া রাখিয়াছো চুল। রবীন্দ্রনাথ মালু* মাথায় ভরা গোবর আলু, মাগার কবিতাতে ভাল!
ছোট বেলায় এই ছড়াটা আওড়াতাম।আরো আওড়াতাম,হাট্টিমা টিম টিম, তারা মাঠে পারে ডিম- তাদের খাড়া দুটি শিং
ছোটবেলায় হিন্দু বন্ধুবান্ধবকে ডাকতাম মালাউনকা বাচ্চা বলে। ১৬র দশকে হিন্দুদের বিদ্বেষ নয় জাত হিসেবে আদর করে মুসলিম রাজা বাদশাহ্ বিধর্মীকে ডাকত মালাউন বলে।তাদের ফলো করে আমরা শুরু করলাম মালু ডাকা।তবে আমরা শুধু হিন্দুদের ডাকি,যার মূল কারন হলো হিন্দুদের আচরন মালুর মতোই।মালু ডাকাটা তাদের কাছে গালির মতো ঠেকতো তাই তারাও আমাদের মোল্লা ডাকতে শুরু করল।সাধারনত মোল্লা আমরা মৌলভীদের ডাকা হয়।সেই নামটা পুরো মুসলিমকে ডাকে তারা,এটা আমাদের সৌভাগ্য বলতে পারেন। ভারতে মোল্লারা হিন্দুত্ত্ব বাদীদের কাছে চীর শত্রুর মতো! আমার কথার সত্যতার টের পাবেন "আসামের"দিকে তাকালে। হিন্দুরা নরপিশাচের জাত,কুলাঙ্গারের জাত।তারা মোল্লাদের শুধু হত্যা নয় ধর্ষন করে মোল্লা মা বোনদের! মুখের কথা নয় প্রমাণাদি সহ দেখাই,২০০৩সালে মালু জাতের নেতা নরেন্দ্র মোদী লিড দিয়ে ২লক্ষ মোল্লাকে মেরেছে! জ্বালিয়ে দিয়েছে মোল্লাদের ঘরবাড়ি,বিধবা করেছে মোল্লার স্ত্রী!মোল্লার যুবতী মেয়েকে ঘর থেকে টেনে নিয়ে ধর্ষন করেছে খাসা কু জাত মালুরা! নরেন্দ্রমোদী বলেছিল,কুকুর মরলে কষ্ট পাবো মুসলিম মরলে না।
মোল্লার দোষ ছিল শুধু ভারতে বাস করা।আর নিজেকে মুসলিম দাবী করা। আমরা ফিরে তাকাতে চাই বাংলাদেশী মালুদের দিকে,কোন মালু কি বলতে পারবে একমাত্র ধর্মীয় কারনে কোন মালু খুন হয়েছে? অথবা কেউ হিন্দু দাবী করেছে বলে তাকে খুন অথবা গনধোলাই দেয়া হয়েছে?
কেউ পারবেনা।হয়তবা জমিজমা আর না হয় অন্য কোন ফ্যাসাদে দুএকটা হিন্দু খুন হয়েছে তাও আবার সন্ত্রাসীদের হাতে!আমরা চেয়েছি সাম্য,ঐক্য কিন্তু ভারতের মালুরা যা শুরু করেছে তাতে সাম্য ঐক্য তো দূরে থাক এখন হিন্দু দেখলেও মনে চায় এদলা থুথু মারি তার মুখে। মোল্লা হত্যা ভারতের একটি সরকারী নিয়মই ধরা যায়! মুসলিম নারীদের হত্যা তাদের ধর্ষন এবং মুসলিম শিশু পুড়িয়ে হত্যা করেছে মালুরা!কতটা বর্বর এই জাত একবার চিন্তা করেন। মালাউনরা যেমন বর্বর তাদের তথাকথিত ভ্যাগাবানরাও তেমনি হিংস্র বর্বর! আপনি ভগবতী গীতা পাঠ করলে বুঝবেন কতটা বর্বরা তাদের ভগবানরা!শিয়াদো আলজেব্রা রাক্ষসের মত হিংস্র তাদের রামা গপ্পের নায়ক! হিন্দুদের দেখলে আমার ঘেণ্যায় বমি আসে!কেননা ওরা মালুরা একেকটা গিদার জাত!একেকটা রাক্ষস কালির বংশধর![bg=#FF0000] বাংলাদেশের যে হিন্দুগুলা আছে শালারা প্রত্যেকটা হচ্ছে বেঈমান,শালারা খায় বাংলার,পড়ে বাংলার দালালী করে ভারতের।ভারতের উগ্রবাদী হিন্দুদের সাথে একত্রিত হয়ে শালা মালুয়ান্রা গালাগালি করে বাংলাদেশকে ।বিকৃত করে আমাদের পতাকাকে! বিভিন্ন দিক দিয়ে দেখলে এই মালাউন্রা একেকটা বেঈমানের জাত!একবার মালাউনদের মনে পরেনা এই মোল্লারাই তাদের ৭১ এ পাকিস্তানীদের থেকে বাঁচিয়েছে।১৪০০খ্রীঃ এই মোল্লার তাদের জলদস্যু মগ হইতে বাঁচাইছে।ধিক্কার মালু জাতীকে ধিক্কার![/bg] আরো পড়ুনঃ- ←হেঁদু সমাচার১ম পত্র| ←হেঁদু সমাচার ২য়পত্র| ←হেঁদু সমাচার ৩য় পত্র| ←হেঁদু সমাচার ৪থপত্র| ←হেঁদু সমাচার শেষ পত্র| ←হেঁদু তত্ত্ব|
Friday, June 6, 2014
আর নয় ভ্রুন হত্যা!একটি ভ্রুনই হতে পারে আপনার বৃদ্ধ বয়সের লাঠি।
স জ ল আ হ মে দ (সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃ-এখানে একটা ছবি এবং একটি ঘটনা উল্লেখ করা আছে যা দুর্বলচিত্তের পাঠকরা না দেখলেই ভাল হয়,বিশেষ করে যাদের হার্টের রোগ আছে।এর পরও যদি পাঠক এই লেখাটা পড়তে উদ্যত হয় তবে তিনি তার নিজ দ্বায়িত্বে পড়তে পারেন।এর জন্য লেখক কোন ভাবেই দায়ী থাকবেনা।) যুগে যুগে মানুষ যত ডিজিটাল হচ্ছে ততই তারা এগুচ্ছে মানুষ ও হচ্ছে ডিজিটাল! নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশাও বাড়ছে তত।ভূয়া প্রেমের জালে ফেঁসে হয়ে অবৈধ যৌনাচারে লিপ্ত হচ্ছে পুরুষ নারী ,ফলে নারীর গর্ভে পয়দা হচ্ছে অবৈধ সন্তান!নারী ঘুরে বেড়ায় পেটে পিতৃপরিচয়হীন অবৈধ বাচ্চা নিয়ে।কিভাবে সমাজে মুখ দেখাবে তারা মগ্ন হয়ে পরে সেই চিন্তায়।এক সময় লিপ্ত হয় ভ্রুন হত্যার মত পৈশাচিক কাজে! একটা ভ্রুনকে যে কিভাবে হত্যা হয় তা জানালে পাঠকদের হৃদয় দুঃখে ঘৃণায় ভরে উঠবে ভ্রুন হত্যাকারী ডাক্তার এবং ঐ অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনকারী নারী পুরুষের উপর! ভ্রুন যে শুধু অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনকারী নারীই হত্যা করে তা নয় বৈবাহিক সম্পর্কে লিপ্ত অর্থাত্ দম্পতিরাও হত্যা করে।হয়তবা তিনি যেসময় বাচ্চা নিতে প্রস্তুত নও সেই সময় স্বামী স্ত্রীর অসাবধনতার ফলে সময় ছাড়াই গর্ভ হয়ে যায়।ফলে তারাও লিপ্ত হয় ভ্রুন হত্যায়। একটি ভ্রুন যেভাবে হত্যা করা হয়ঃ- আমার পরিচিত এক ডাক্তার বন্ধু যেভাবে বর্ণনা দিয়েছে পাঠকদের সামনে ঠিক সেইভাবেই তুলে ধরলাম। প্রথমে ঐ অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনকারী অথবা নারীকে অচেতন করা হয়,এরপর তার গর্ভ থেকে একটা উপায় অবলম্বন করে(উপায়টা লিখতে অসস্তিবোধ করছি।)বাচ্চাটার মাথা বের করা হয় এরপর বাচ্চাটার ঘাড়ের রগ ধারালো কাঁচি দিয়ে কেঁটে দেয়া হয়!(কি নির্মম!)।ঐ বাচ্চাটাকে পুরোপুরি গর্ভ থেকে বের করতে নিষ্পাপ শিশুটির হাত পা কাঁটা হয় ঠিক যেভাবে আমরা মুরগীর বাচ্চার পা কাঁটি!(কি নির্মম!) এরপর ঐ নিষ্পাপ শিশুটির খন্ডিত দেহ ফেলে দেয়া হয় কোন ডাস্টবিনে এবং ঐ মৃত শিশুর দেহটি তৈরী হয় শেয়াল কুকুরের খাবার হিসেবে!ছিঃছিঃছিঃ কত নির্মম কাজ মানুষ করতে পারে! একটা জিনিস জানলে আশ্চর্য না হয়ে পারবেননা,এই রকম ভ্রুন আবার খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয় চীনে! চীনের কিছু মানুষ শিশুদেরকে খেয়ে ফেলে। কেন জানেন? নিজেদের যৌন শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য।মৃত শিশু ও নির্দিষ্ট সময়ের আগেই গর্ভপাত ঘটানো অপূর্ণাঙ্গ ভ্রুন বা ফিটাসের স্যুপ তৈরি করা হচ্ছে মানুষের খাওয়ার জন্য!
সেখানকার পুরুষরা তাদের শারীরিক স্বাস্থ্য ও যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য ভেষজ শিশু স্যুপ (herbal baby soup) খেয়ে থাকে!একজন মহিলা একটি ছুরি দিয়ে ছেলে শিশু ভ্রূণ কেটে কুচি কুচি করছেন ও সেটি দিয়ে স্যুপ তৈরি করছেন। আর আশেপাশে মানুষকে এই বলে আশ্বস্ত করছেন যে, ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এটি “প্রাণীর মাংস”। একটি ঘটনা না বল্লেই নয়, চীনের এক দম্পতির ইতোমধ্যেই একটি কন্যাসন্তান ছিল। মহিলাটি সন্তান-সম্ভবা ছিলেন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পারলেন তার দ্বিতীয় সন্তানটিও মেয়ে হতে যাচ্ছে। ততদিনে তার গর্ভস্থ সন্তানের বয়স ৫ মাস। তিনি ও তার স্বামী গর্ভপাত করানোর সিদ্ধান্ত নেন। স্বাভাবিকভাবে কোন শিশু যদি ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই মারা যায় তবে তাতে ২০০০ ইউয়ান খরচ হয়, সেখানে গর্ভপাত করাতে খরচ হয় মাত্র কয়েকশো ইউয়ান। তবে যারা মৃত শিশু বিক্রি করতে চান না, তারা প্লাসেন্টা বা অমরা বিক্রি করতে পারেন ইচ্ছা করলে। পরে তিনি সেটাকে ভ্রুন দিয়ে স্যুপ বানানোর কারখানায় বিক্রি করে দিলেন। অনেক চীনাদের কাছে মানব ভ্রূণ ভক্ষণ করা নাকি এক ধরণের শিল্প! কত নির্মম নিষ্ঠুর তারা! চাইলেই কি মা বাবা হওয়া যায়? অনেকে আছেন যারা সৃষ্টিকর্তার কাছে একটা বাচ্চার জন্য চীর জীবন মাথা ঠুকলেও একটা বাচ্চা পাননা,আবার অনেকে হত্যা করে ফেলে তার স্বাদ আহ্লাদের সন্তানটিকে! যার ভ্রুন খুনি তারা একবার ও চিন্তা করেন না,তারাও একসময় তার গর্ভে থাকা ঐ ভ্রুনটির মত ছিল তখন যদি তার পিতা মাতা তাকেও হত্যা করে ফেলত ভ্রুন খুনি ডাক্তার নামক কসাইয়ের মাধ্যমে? ভ্রুন হত্যা বন্ধ করতে হলে আগে বন্ধ করতে হবে অবৈধ যৌনকর্ম।অতঃপর দম্পতিদের বাচ্চা নেয়ার ব্যাপারে হতে হবে সচেতন অর্থাত্ বাচ্চাটি কখন নিবে তা আগে ভালভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।ভ্রুন হত্যাও খুনের শামিল তাই সরকারকে ভ্রুন হত্যার বিষয়ে কড়া আইন প্রয়োগ করতে হবে। আসুন আমরা ভ্রুন হত্যা বন্ধ করি এবং সকলকে বুঝিয়ে বলি"একটি ভ্রুন আগামীর ভবিষ্যত্,তাদের কে পৃথিবীর সুন্দর আলোটুকু দেখতে দিন।তাদেরকে হত্যা করা বন্ধ করে দিন।হতে পারে, আপনার বৃদ্ধ বয়সে সেই হবে আপনার হাতের লাঠি"।
Wednesday, May 28, 2014
স্মরনে কবি নজরুল
Sunday, May 18, 2014
সুলতান মাহমুদ সোমানাথ মনদির ভাঙেনি
Tuesday, May 13, 2014
আসামে মুসলিম শিশু হত্যার কয়েকটি ছবি
আসামে হিন্দু বেশ্যা মায়ের গর্ভ থেকে জন্ম নেয়া জারজ হারামীর বাচ্চা বেরো উপজাতীরা এভাবেই হত্যা করছে নিষ্পাপ মুসলিম!
Pleas stop!killing Muslims child!
চিত্রঃ-১
বিবেক কে নাড়া দিয়ে উঠে!
Stop killing muslims child!

চিত্রঃ২
আহা!৩টি শিশু মরেই গেলো!

চিত্রঃ৩
আহা!বেচারা বেরোর দ্বারা আহত হয়ে এভাবেই কাতরাচ্ছে!

চিত্রঃ৪
কয়েকটা শিশু ভয়ে ভয়েই নামাজ পড়ছে!

চিত্রঃ৫
মুসলমানদের বাড়িঘর পুড়িয়ে ফেলছে বেরোরা

চিত্রঃ৬
শিশুর খন্ড লাশ!

মানবতাবাদীরা কি এখনো চুপ করে ঘাপটি মেরে থাকবে?
হিন্দু মাতা রক্তপিপাষু কালীই কি এই অর্ডার করেছে ছোট্ট শিশুদের হত্যা করতে?
যদি তাই হয় তাহলে আসামের মুসলিমরাও প্রস্তুত হও জিহাদ কর এই সমস্ত নালায়েক জারজদের বিরুদ্ধে!
কচু কাঁটা কর তাদের।
Pleas stop!killing Muslims child!
চিত্রঃ-১
বিবেক কে নাড়া দিয়ে উঠে!
Stop killing muslims child!
চিত্রঃ২
আহা!৩টি শিশু মরেই গেলো!
চিত্রঃ৩
আহা!বেচারা বেরোর দ্বারা আহত হয়ে এভাবেই কাতরাচ্ছে!
চিত্রঃ৪
কয়েকটা শিশু ভয়ে ভয়েই নামাজ পড়ছে!
চিত্রঃ৫
মুসলমানদের বাড়িঘর পুড়িয়ে ফেলছে বেরোরা
চিত্রঃ৬
শিশুর খন্ড লাশ!
মানবতাবাদীরা কি এখনো চুপ করে ঘাপটি মেরে থাকবে?
হিন্দু মাতা রক্তপিপাষু কালীই কি এই অর্ডার করেছে ছোট্ট শিশুদের হত্যা করতে?
যদি তাই হয় তাহলে আসামের মুসলিমরাও প্রস্তুত হও জিহাদ কর এই সমস্ত নালায়েক জারজদের বিরুদ্ধে!
কচু কাঁটা কর তাদের।
Subscribe to:
Comments (Atom)