Saturday, July 26, 2014
স্যেকুলার বা ধর্মনিরপেক্ষতা কি?
যে মতবাদটিকে ইংরেজিতে secularism বলা হয় তার আরবি প্রতিশব্দ হিসেবে বহুলভাবে ﻋﻠﻤﺎﻧﻲ [‘আলমানি] শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আর বাংলায় এর (সত্যের অপলাপকৃত) অনুবাদ করা হয় ‘ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ’ শব্দ দিয়ে। তাহলে দেখা যাক সে সেকুলারিজম (বা তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতা) কী? ছোট্ট একটি প্রশ্ন, কিন্তু তার উত্তর চাই স্পষ্ট, নিখুঁত ও বিস্তারিত। এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর প্রত্যেক মুসলিমের জানা- থাকা জরুরি। আল্লাহর মেহেরবানী যে, এ পর্যন্ত সেকুলারিজমের উপর বহু গ্রন্থ লিখা হয়েছে, আমাদের কর্তব্য শুধু জানা ও আমল করা। এবার প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করি, তবে এ জন্য আমাদের বেশী কষ্ট করতে হবে না, কারণ যেখানে ‘সেকুলারিজম’ বা তথাকথিত ‘ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ’ মতবাদের জন্ম, সে পাশ্চাত্য দেশসমূহে লিখিত অভিধানগুলো আমাদেরকে সেটার অর্থ খোজা ও সন্ধান করার কষ্ট থেকে মুক্তি দিয়েছে। ইংরেজি অভিধানে secularism শব্দের নিম্নরূপ অর্থ এসেছে: ১. পার্থিববাদী অথবা বস্তুবাদী। ২. ধর্মভিত্তিক বা আধ্যাত্মিক নয়। ৩. দ্বীনপালনকারী নয়, দুনিয়াবিমুখ নয় [a]। একই অভিধানে secularism শব্দের সংজ্ঞায় এসেছে: “secularism এমন একটি দর্শন, যার বক্তব্য হচ্ছে, চরিত্র- নৈতিকতা ও শিক্ষা ধর্মীয় নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত হতে পারবে না”। ‘ব্রিটিশ বিশ্বকোষ’-এ আমরা দেখি, সেখানে সেকুলারিজম সম্পর্কে বলা হয়েছে: “সেকুলারিজম একটি সামাজিক আন্দোলন, যার একমাত্র লক্ষ্য মানুষদেরকে পরকালমুখী থেকে ফিরিয়ে এনে দুনিয়ামুখী করা”। Encyclopedia Britanica নামীয় ব্রিটিশ বিশ্বকোষে Atheism বা ‘নাস্তিকতা’ শিরোনামের অধীন secularism এর আলোচনা এসেছে। তাতে Atheism তথা নাস্তিকতাকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে: ১. তাত্ত্বিক নাস্তিকতা (ﺇﻟﺤﺎﺩ ﻧﻈﺮﻱ) ২. ব্যবহারিক নাস্তিকতা (ﺇﻟﺤﺎﺩ ﻋﻤﻠﻲ)। ‘বিশ্বকোষ’ সেকুলারিজমকে দ্বিতীয় প্রকার নাস্তিকতার অন্তর্ভুক্ত করেছে । এ আলোচনা থেকে দু’টি বিষয় স্পষ্ট হল: এক. সেকুলারিজম একটি কুফরি দর্শন, তার একমাত্র লক্ষ্য দুনিয়াকে দ্বীনের প্রভাব মুক্ত করা। সেকুলারিজম একটি মতবাদ, তার কাজ হচ্ছে পার্থিব জগতের সকল বিষয়কে ধর্মীয় বিধি-নিষেধ থেকে মুক্ত রেখে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, আদর্শিক ও পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার নিজের তৈরি বিধান দেওয়া ও সকল স্তরে নেতৃত্ব প্রদান করা। দুই. সেকুলারিজমের সাথে জ্ঞান বা বিজ্ঞানের কোনো সম্পর্ক নেই, যেমন কতক কুচক্রী মানুষদেরকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলার জন্য বলে, সেকুলারিজম অর্থ ‘ব্যবহারিক বিজ্ঞানের উপর গুরুত্বারোপ ও তার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা’। এ বক্তব্যের অসারতা ও সত্য গোপন করার অপকৌশল আমাদের বর্ণিত অর্থ থেকে স্পষ্ট, যা আমরা গ্রহণ করেছি ‘সেকুলারিজম’ এর সুতিকাগার থেকে, যে সমাজে তার জন্ম ও পরিচর্যা হয়েছে। তাই ‘সেকুলারিজম’ এর অর্থ যদি করা হয় ধর্মহীনতা, তাহলে তার সূক্ষ্ম ব্যাখ্যা ও সঠিক অর্থ প্রকাশ পাবে এবং তাতে অপলাপের কিছু থাকবে না, বরং যথার্থ অর্থই স্পষ্ট হবে। সেকুলারিজম (ধর্মনিরপেক্ষতা) এর বিবিধ রূপ সেকুলারিজমের দু’টি রূপ রয়েছে। যার একটি অপরটি থেকে জঘন্য: প্রথম রূপ:সরাসরি নাস্তিকতা: এ প্রকার সেকুলারিজম (ধর্মনিরপেক্ষতা) দ্বীনকে পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান ও সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর অস্তিত্বকে অস্বীকার করে। তা ধর্মীয় কোনো বিষয় স্বীকার করে না, বরং যারা আল্লাহর অস্তিত্বের প্রতি ঈমানের দাওয়াত দেয়, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। এ জাতীয় সেকুলারিজমের (ধর্মনিরপেক্ষতার) অনুসারীরা নিজেদের কুফরি, অশ্লীলতা ও কুকর্মে আত্মগর্বী ও অহংকারী। তাদের কুফরির ফয়সালা করা সকল মুসলিমের পক্ষে সহজ। আলহামদুলিল্লাহ তাদের বিষয়টি মুসলিমদের নিকট স্পষ্ট। কোনো মুসলিম তাদের দিকে ধাবিত হয় না, তবে যে দ্বীন থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চায় সে ব্যতীত। এ ধরনের সেকুলারিজম (ধর্মনিরপেক্ষতা) জনসাধারণের নিকট কম বিপজ্জনক, তারা সাধারণ মানুষকে সহসা ধোঁকায় ফেলতে সক্ষম নয়, তবে দ্বীনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা, মুমিনদের সাথে শত্রুতা ও বিদ্বেষ পোষণ করা এবং তাদেরকে কষ্ট দেওয়া, অথবা জেল দেওয়া অথবা হত্যা করা ইত্যাদি ক্ষেত্রে তারাও কম ক্ষতিকর নয়। দ্বিতীয় রূপ:পরোক্ষ নাস্তিকতা [1]: এ প্রকার নাস্তিকতা আল্লাহর অস্তিত্বকে অস্বীকার করে না, তাত্ত্বিকভাবে তার উপর ঈমান আনে, তবে দুনিয়ার কোনো বিষয়ে দ্বীনের কর্তৃত্ব মানে না । তাদের শ্লোগান দুনিয়াকে দ্বীন থেকে পৃথক কর। জনসাধারণকে ধোঁকায় ফেলা ও বিপথগামী করার ক্ষেত্রে এ প্রকার নাস্তিকতা বা সেকুলারিজম (তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতা) অপেক্ষাকৃত বেশি বিপজ্জনক। কারণ তারা আল্লাহর অস্তিত্বকে অস্বীকার ও তার দ্বীনের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বিদ্রোহ করে না, তাই তাদের কুফরির প্রকৃত অবস্থা অনেক মুসলিমের নিকট প্রচ্ছন্ন ও অস্পষ্ট থাকে। [2] দ্বীনের সঠিক জ্ঞান ও পর্যাপ্ত ইলম না থাকার কারণে তারা সেকুলারিজমকে (তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাকে) কুফরি বলে মনে করে না। এ কারণে মুসলিম দেশসমূহের অধিকাংশ সরকার সেকুলার (তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ) মতবাদের অনুসারী। অনেক, বরং অধিকাংশ মুসলিম তাদের হাকিকত জানে না। এ প্রকার সেকুলারিজমের (ধর্মনিরপেক্ষতার) অনুসারী সংগঠনগুলো দ্বীন ও দ্বীনের দাওয়াত প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেও নিশ্চিত থাকে, কেউ তাদের কাফের ও দ্বীন থেকে খারিজ বলবে না। কারণ, তারা প্রথম প্রকারের ন্যায় প্রকাশ্য নাস্তিকতাসহ আত্মপ্রকাশ করেনি। তাদের কাফের না বলা মুসলিমদের মূর্খতার প্রমাণ। আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি, তিনি আমাদেরকে ও সকল মুসলিমকে সঠিক জ্ঞান দান করুন। মুসলিম উম্মতকে দ্বীন বুঝার তৌফিক দিন, তারা যেন এসব সংস্থা ও সংগঠন থেকে আত্মরক্ষা গ্রহণ করে। অতএব দ্বীন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল কোনো মুসলিম সেকুলার বা তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ মতাবলম্বীদের কথা বা লেখনীতে আল্লাহর নাম অথবা রাসূলের নাম অথবা ইসলামের নাম শুনে বা দেখে আশ্চর্য হয় না [3], বরং তারাই আশ্চর্য হয় ও বিস্ময় প্রকাশ করে, যারা তাদের প্রকৃত অবস্থা জানে না। secularism1 মোদ্দাকথা: উভয় প্রকার সেকুলারিজম (ধর্মনিরপেক্ষতা) স্পষ্ট কুফরি, এতে কোনো সন্দেহ ও সংশয় নেই । যদি কেউ উল্লেখিত কোনো প্রকার ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ মনেপ্রাণে মেনে নেয়, সে ইসলাম থেকে বহিষ্কৃত ও মুরতাদ হয়ে যাবে। আল্লাহ আমাদের হিফাজত করুন। কারণ, ইসলামই হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ দ্বীন তথা জীবন বিধান, মানুষের জীবনের সকল ক্ষেত্রে তার স্পষ্ট বিধান রয়েছে, হোক তা আধ্যাত্মিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, চারিত্রিক বা সামাজিক কোনো শাখা। ইসলাম কখনো কোনো মতবাদকে তার বিধানে হস্তক্ষেপ করার অনুমতি দেয় না। ইসলামের সকল শাখায় পরিপূর্ণরূপে প্রত্যেক মুসলিমের প্রবেশ করা ফরয। আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন: ﴿ ﻳَٰٓﺄَﻳُّﻬَﺎ ﭐﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺀَﺍﻣَﻨُﻮﺍْ ﭐﺩۡﺧُﻠُﻮﺍْ ﻓِﻲ ﭐﻟﺴِّﻠۡﻢِ ﻛَﺎٓﻓَّﺔٗ ٢٠٨ ﴾ ]ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ: ٢٠٨ [ “হে মুমিনগণ, তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ কর”। [4] কুরআনুল কারিমের কতক বিধান গ্রহণ করে কতক বিধান ত্যাগকারীকে আল্লাহ তা‘আলা কাফের বলেছেন। ইরশাদ হচ্ছে: ﴿ ﺃَﻓَﺘُﺆۡﻣِﻨُﻮﻥَ ﺑِﺒَﻌۡﺾِ ﭐﻟۡﻜِﺘَٰﺐِ ﻭَﺗَﻜۡﻔُﺮُﻭﻥَ ﺑِﺒَﻌۡﺾٖۚ ﻓَﻤَﺎ ﺟَﺰَﺍٓﺀُ ﻣَﻦ ﻳَﻔۡﻌَﻞُ ﺫَٰﻟِﻚَ ﻣِﻨﻜُﻢۡ ﺇِﻟَّﺎ ﺧِﺰۡﻱٞ ﻓِﻲ ﭐﻟۡﺤَﻴَﻮٰﺓِ ﭐﻟﺪُّﻧۡﻴَﺎۖ ﻭَﻳَﻮۡﻡَ ﭐﻟۡﻘِﻴَٰﻤَﺔِ ﻳُﺮَﺩُّﻭﻥَ ﺇِﻟَﻰٰٓ ﺃَﺷَﺪِّ ﭐﻟۡﻌَﺬَﺍﺏِۗ ﻭَﻣَﺎ ﭐﻟﻠَّﻪُ ﺑِﻐَٰﻔِﻞٍ ﻋَﻤَّﺎ ﺗَﻌۡﻤَﻠُﻮﻥَ ٨٥ ﴾ ]ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ: ٨٥ [ “তোমরা কি কিতাবের কিছু অংশে ঈমান রাখ আর কিছু অংশ অস্বীকার কর? সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা তা করে দুনিয়ার জীবনে লাঞ্ছনা ছাড়া তাদের কী প্রতিদান হতে পারে? আর কিয়ামতের দিনে তাদেরকে কঠিনতম আযাবে নিক্ষেপ করা হবে। আর তোমরা যা কর, আল্লাহ সে সম্পর্কে গাফেল নন”। [5] ইসলামে নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত কোনো বিষয় যে প্রত্যাখ্যান করল, সে কাফের ও পথভ্রষ্ট, যদিও তার প্রত্যাখ্যান করা বিষয়ের পরিমাণ খুবকম ও সামান্য হয়। অতএব পার্থিব রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ইসলামের সকল বিধান যে প্রত্যাখ্যান করে, সে কাফের বলার অপেক্ষা রাখে না, যেমন সেকুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতার অনুসারীরা। দ্বিতীয়ত ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদের অনুসারীদের মাঝে ইসলাম বিনষ্টকারী কারণও রয়েছে, যেমন তারা বিশ্বাস করে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ থেকে অন্য কারও আদর্শ উত্তম, অনুরূপ তার ফয়সালা থেকে অন্য কারও বিচার-ফয়সালা উত্তম। এ কারণেও তারা কাফের।[6] শায়খ আব্দুল আযীয ইবন বায রাহিমাহুল্লাহ বলেন: “ইসলাম বিনষ্টকারী চতুর্থ প্রকারের অন্তর্ভুক্ত ঐ ব্যক্তি, যে বিশ্বাস করল মানুষের তৈরি আইনি সংস্থাগুলো ইসলামী শরীয়তের বিধান থেকে উত্তম, অথবা বিশ্বাস করল যে, বিংশ শতাব্দীতে ইসলামী বিধান বাস্তবায়ন করা যুক্তিসঙ্গত নয়, অথবা ইসলাম প্রগতির অন্তরায়, অথবা বলল ইসলাম শুধু ব্যক্তি ও তার রবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ, মানুষের জীবনের অন্য কোনো অংশে প্রবেশ করার অধিকার ইসলামের নেই”। [7] [1] আমরা সেকুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতাকে সরাসরি নাস্তিকতা ও পরোক্ষ নাস্তিকতা দু’ভাগে ভাগ করেছি, কারণ সাধারণ লোকেরা নাস্তিকতা বলতে আল্লাহর অস্তিত্ব অস্বীকার করাকেই বুঝায়, অথচ সেকুলারিজম বা তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাও এক প্রকার নাস্তিকতা, বরং নাস্তিকতার একটি শাখা হচ্ছে সেকুলারিজম বা তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতা। [2] দ্বীনের সাথে পরোক্ষ নাস্তিকতা বা সেকুলারিজমের (ধর্মনিরপেক্ষতার) সংঘর্ষ অনেকের নিকট স্পষ্ট নয়, কারণ তাদের নিকট দ্বীন হচ্ছে ধর্মীয় কয়েকটি ইবাদতের নাম। তাই এ পরোক্ষ সেকুলারিজম (পরোক্ষ ধর্মনিরপেক্ষতা) যেহেতু মসজিদে সালাত আদায় ও বায়তুল্লাহ শরীফের হজকে নিষেধ করে না, তারা ধারণা করে নিয়েছে যে, ধর্মনিরপেক্ষতা দীন বিরোধী নয়। কিন্তু দীনকে যারা সঠিকভাবে বুঝেন, তারা অবশ্যই জানেন যে, সেকুলারিজম (তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতা) দীনের সাথে সাংঘর্ষিক। যে মতবাদ মানুষের জীবনের সব শাখায় আল্লাহর শরীয়তকে নিষিদ্ধ ও হারাম ঘোষণা করেছে, তার চেয়ে স্পষ্ট ও কঠিন ইসলাম বিরোধী কোনো মতবাদ কি আছে? যদি তারা তা বুঝে! [3] কারণ তারা ভালো করেই জানে যে এরা এগুলো ব্যবহার করার মাধ্যমে মানুষকে ধোকা দিচ্ছে। [সম্পাদক] [4] সূরা বাকারা: (২০৮) [5] সূরা বাকারা: (৮৫) [6] দেখুন: শায়খ মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব রহ. রচিত ﻧﻮﺍﻗﺾ ﺍﻹﺳﻼﻡ গ্রন্থের ইসলাম বিনষ্টকারী চতুর্থ প্রকার। আরো দেখুন: শায়খ আব্দুল আযীয ইবন বায রহ. রচিত ﺍﻟﻌﻘﻴﺪﺓ ﺍﻟﺼﺤﻴﺤﺔ গ্রন্থের (২৭) নং পৃষ্ঠা। [7] দেখুন: শায়খ আব্দুল আযীয ইবন বায রহ. রচিত ﺍﻟﻌﻘﻴﺪﺓ ﺍﻟﺼﺤﻴﺤﺔ গ্রন্থের (২৭) নং পৃষ্ঠা। [a] ‘দুনিয়াবিমুখিতা’ বা ‘সংসারবিরাগী’ খৃস্ট ধর্মে একটি ইবাদতগত বিষয়। খৃস্টানগণ এ বিদ‘আতটি আবিস্কার করেছে। সুতরাং যখন তারা বলে, সেক্যুলার অর্থ, ‘সংসারবিরাগী নয়’ তখন তারা এর দ্বারা অর্থ নেয় যে, সে ইবাদতকারী নয়। মুসলিমরা মনে করে যে সংসারবিরাগী হওয়া বিদ‘আত। কিন্তু খৃস্টানরা এটাকে বিদ‘আত মনে করে না। তারা এটাকে তাদের সত্যিকার দ্বীন মনে করে। সুতরাং যখন কেউ বলবে যে, অমুক সংসারবিরাগী নয় তখন সে এর দ্বারা উদ্দেশ্য নেয় যে, লোকটি ইবাদতের ধার-ধারে না। ‘বিদ‘আত করে না’ এ অর্থ উদ্দেশ্য নেয় না। নাস্তিকতার উপর আভিধানিক বিশ্লেষণ ড. মুহাম্মদ যায়ন আল- হাদি রচিত ﻧﺸﺄﺓ ﺍﻟﻌﻠﻤﺎﻧﻴﺔ বা ‘সেকুলারিজম এর উৎপত্তি’ গ্রন্থ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। মূলঃ ধর্মনিরপেক্ষতা ও তার কুফল মুহাম্মদ শাকের আশ-শরীফ অনুবাদ : সানাউল্লাহ নজির আহমদ সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া শেয়ার করি Facebook 1 Twitter Tumblr Email This entry was posted in কুফর. Bookmark the permalink. ফেসবুকে পেইজ সরল পথ 19.7 ফেইসবুক সামাজিক প্লাগইন পছন্দ করুন সরল পথ Bahar Sarkar এবং অন্যান্য 2 জন- এর সাথে জুলাই 16 এতে 10:03am TRUE TRUE ইমেইল গ্রহণ ইমেইলের মাধ্যমে সর্বশেষ আপডেট ও নতুন পোস্ট গ্রহণ করুন Join 243 other followers সাইন আপ আর্টিকেল সমূহ অডিও (1) অনুপ্রেরণাদায়ী ঘটনা (16) আখেরাত (8) আত্মশুদ্ধি (3) আল-কুর'আন (12) আসাবিয়াহ (1) ইতিহাস (11) ইবাদত (12) ইসলাম এবং প্রচলিত প্রথা (28) ইসলাম এবং প্রচলিত ভুল ধারনা (20) ইসলাম ও অন্যান্য ধর্ম (4) ইসলাম ও মুসলিম (12) ইসলাম ও সমাজ (42) ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের ২০টি প্রশ্নের জবাব (ডা: জাকির নায়েক এর লেকচার) (19) ঈমান (51) উপদেশ (51) কবীরা গুনাহ (1) কালোত্তীর্ণ রচনাবলী (5) কিতাবুত তাওহীদ (3) কিয়ামত (2) কুফর (3) কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান (21) খোলাফায়ে রাশেদীন (3) গণতন্ত্র (2) গল্প সম্ভার (5) জান্নাত জাহান্নাম (4) জ্ঞানের মণি মুক্তো (9) তাওহীদ (20) তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর উপর ভরসা (8) ধৈর্য্যধারণ (5) পিতামাতাদের জন্য (6) প্রশ্ন উত্তর (19) বই (17) বিদ'আত (18) বিবিধ (28) ব্যক্তিত্ব (1) ভিডিও গ্যালারি (16) মুসলিম উম্মাহ (6) রোযা (12) শিশু কিশোরদের জন্য (1) শুধুমাত্র নারীদের জন্য (7) সন্তানদের জন্য (2) সালাহ/নামায (3) স্বপ্ন (3) হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম (11) হাদীস (18) সর্বমোট 301,000 বার দেখা হয়েছে শীর্ষ পোস্ট ও পাতাগুলো লাইলাতুল কদর (প্রশ্নোত্তর) তাহাজ্জুদ নামাজ :বান্দাদের প্রতি আল্লাহ পাকের অসাধারণ একটি উপহার ডাউনলোড করুন আল-কোরআনের বাংলা অনুবাদ আপনার যে কোন জাভা সমর্থিত মোবাইলে আল-ওয়াহান; মুসলিমদের একটি ঘাতক ব্যাধি সূচীপত্র রামাদানের উপহার - হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম রজনী 'লায়লাতুল কাদর' যে ব্যক্তি মানুষ হাসানোর জন্য মিথ্যা বলে তার জন্য ধ্বংস! রোজার মাকরুহ(অপছন্দনীয়) ও মুবাহ (বৈধ) বিষয়সমূহ রামাদানে পালিত কতিপয় ভ্রান্তিপূর্ণ কাজ ভিডিও
Tuesday, July 22, 2014
মাহমুদুর রহমানের কলাম:বল্গাহীন দূর্ণীতি
Monday, July 21, 2014
এলিয়েন বলতে কিছুই নেই
দৃশ্যপট→১ _______ বিজ্ঞানীরা বহুদিন যাবত্ পৃথিবীতে তাদের আবিষ্কার দিয়ে রাজত্ব করে যাচ্ছেন!থিওরির জনক হচ্ছেন। জ্ঞান বিজ্ঞানে মানুষকে উচ্চস্তরের করে তুলছে। তারা যেমন রোগ নিরাময় ঔষধ আবিষ্কার করছেন ঠিক তেমনি ব্যবসা করার জন্য আবার বড় বড় প্রাণঘাতি রোগ ও মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছেন। আপনারা জানলে আশ্চর্য হবেন যে HIV ভাইরাসটিও বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার! আর এটি ছিল বানরের রোগ আর এই বানরের ভাইরাসটি তারা ভ্যাকসিনের মাধ্যমে আফ্রিকা শিশুদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছিল।আর এর মূল কারন ছিল কালোদের প্রতি সাদা চামড়ার বিদ্বেষ। আফ্রিকান ঐ শিশুদের ভেতর ঐ রোগ ছড়িয়ে দেওয়ার আরো একটি কারন হল "ব্যবসা"! HIV ভাইরাস ছড়ানোর মাধ্যমে বিজ্ঞানীদের কি ব্যবসা ছিল তা এই প্রবন্ধের শেষের দিকে আলোচনা করা হবে। হ্যা যা বলছিলাম,বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর বুকে বহু কিছু আবিষ্কার করেছেন,বহু থিওরির জনক হয়েছেন ,এক কথায় পৃথিবীটাকে মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছেন। মানুষ এখন আকাশে পাড়ি জমায়,বিমানে মেঘের দেশে ভেসে বেড়ায়,চাঁদে উঠে ,এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের খবর নেয় ,ইন্টারনেট এসে পৃথিবীটাকে আরো সহজ করে দিয়েছে।এই আমি যে যন্ত্রটা দিয়ে প্রবন্ধটা লিখছি এটাও কিন্তু একজন বিজ্ঞানীরই অবদান!রোবট,মোবাইল,কম্পিউটার ,ল্যাপটপ,প্রিন্ট মেশিন,ফ্রিজ ,টিভি,স্যাটেলাইট,বেতার,পরমানু শক্তি যা বলেন সবই তো বিজ্ঞানীরাই আমাদের উপহার দিয়েছেন। *বিজ্ঞানীরা যেমন পৃথিবীটাকে মানুষের হাতের মুঠোয় করে দিয়েছেন,মানুষের পরিপূর্ণ জ্ঞানঅর্জনে সাহায্য করেছেন ঠিক তদ্রুপ মানুষকে বোকা বানিয়েছেন!হ্যা সেটা এলিয়েন! এলিয়েনে বিশ্বাস আমাদের তরুণ প্রজন্মের ছেলেদের মাথায় এমন ভাবে গেঁথেছেন যে তা আর উপড়ে ফেলা সম্ভব নও। আদতে এলিয়েন বলতে কিছু এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে নাই।যে গুলো বিজ্ঞানীরা এলিয়েন নামে অভিহিত করছে ওগুলো আসলে জ্বীন।
১/গ্রে এলিয়েন।(দেখতে অনেকটা গুইসাপের মতো,পিঠে খাঁজ কাঁটা খাঁজ কাঁটা আছে,বিজ্ঞানীদের দাবী এরা মানুষের ক্ষতি করে,এরা নাকি মানুষ গুম ও করে!
২/র্য্যাপ্টিলিয়ানস এলিয়েন।(দেখতে অনেকটা ধাতব বাক্সের মতো অথবা মাথাটা রোবটের মতো।বিজ্ঞানীদের দাবী এরাও মানুষকে গুম করে
৩/হ্যিউম্যান টাইপ।(দেখতে ঠিক মানুষের মতো তবে বিজ্ঞানীদের দাবী এরা মানুষের থেকে অনেক ফর্সা হয়ে থাকে এবং এরাই নাকি একমাত্র এলিয়েন যারা মানুষের কোন ক্ষতি করেনা।) জেনে নিলেন তো তো এলিয়েনদের সম্বন্ধে কিছুটা? ছোট বেলায় আমি আবার ঠাকুর মার ঝুলি দেখতে পছন্দ করতাম। শাকচুন্নির একটা গল্প ছিল যেটা দেখে আমি ভয় পেতাম প্রচুর! শাকচুন্নির প্রতি আমার এমন বিশ্বাস জন্মেছিল যেটা ক্লাশ এইট পর্যন্ত কাজ করেছে মাথায়। পরে যখন মাথায় একটু জ্ঞানবুদ্ধি হলো তখন নিজের প্রতি একটু লজ্জা হল আমার হায় হায় কল্পনার গল্পটা কিভাবেইনা আমার মাথায় এঁটে ছিল !এখনো হাসি পায় আমার সে কথা মনে পরলে। এলিয়েন বিশ্বাসটাও তদ্রুপ একবার মাথায় ঢুকে গেলে আর রক্ষে নেই।আপনার হাজার কিলোর মগজটাকে ধোলাই করে ছেড়ে দিবে তাতে কোন ভূল নেই। আর যদি এটাকে মাথা থেকে ঝাটা মেরে ফেলে দিতে পারেন তবে পাবেন রক্ষা। নিজে নিজেকে মুক্ত চিন্তার ধারক বাহক ভাবেন আবার নিজেই মনে মনে বিজ্ঞানীদের তৈরী এলিয়েনের উপর পূর্ণ অন্ধবিশ্বাস রাখেন তো আপনাকে কি আমি মুক্ত চিন্তার ভাবতে পারি? না কখনোই না। বিজ্ঞানীদের দাবী তারা মহাকাশে এলিয়েন জান ইউ এফ ও (UFO)দেখেছেন যাতে তাদের এলিয়েনদের প্রতি পূর্ণ আস্থা এসেছেন! (বিজ্ঞানীদের ছবিগুলোতে UFO দেখতে মেঘের মতো তবে লালচে) চলবে.....
→এখন আপনি বলতে পারেন,তোমার একথার যৌক্তিকতা কি? কিন্তু আপনার মনে কখনো এ প্রশ্ন আসবেনা, বিজ্ঞানীরা যে এলিয়েনের কথা বলছে তা কি আদতেই সত্য? →বিজ্ঞানীরা যে ফ্লায়িং সসার গুলোর কথা বলছে সেটা কি সত্যিই নাকি গুজব? →বিজ্ঞানীরা যে মঙ্গল গ্রহে ইদুর দেখেছে সেটা কি সত্যিই?
না আপনি সে কথা নিজেকে একটিবারের জন্য ও প্রশ্ন করেনি। কেন করেননি? উত্তর একটাই আপনি বিজ্ঞানীদের প্রতি অন্ধ বিশ্বাসী ।আর আপনার এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই বিজ্ঞানীরা আপনাকে বোকা বানাচ্ছে! *অনেক দিন আগে আমারব্লগ.কম এ একটি প্রবন্ধ পড়েছিলাম। যেখানে লেখক বলেছেন,হাজার হাজার বছর আগে এলিয়েনরা পৃথিবীতে আসত এবং মানুষকে বোকা বানিয়ে তাদের ঈশ্বর সাজতেন।মাঝে মাঝে এলিয়েনের রাজা বাদশাহ্রা তাদের দূত কে পাঠাতেন যাদের কিনা মানুষ ফেরেশতা ভাবতেন।আর মানুষকে তারাই বলে দিতেন যে সৃষ্টিকর্তা উপরে থাকেন,তাইতো মসজিদ মন্দিরগুলোর উপরের দিকে মিনার তৈরী। »আসলে লেখকের যে মাথায় গণ্ডগোল আছে তা তার প্রবন্ধ বলে দেয়!কেননা প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ ইমারত গুলো উর্ধ্বমুখি ভাবে বানানো হতো রোদ বৃষ্টি থেকে নিজেদের বাঁচানোর জন্য।আর মিনারগুলো তৈরী করা হতো ইমারতের সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে তোলার জন্য। বর্তমানে যে ইমারত গুলো বানানো হয় তাও কিন্তু উর্ধ্বমুখি।বর্তমানের মানুষগুলো কিন্তু জ্ঞানী তারা কিন্তু এলিয়েনের কথায় ইমারত উর্ধ্বমুখি বানায়। আর যাদের লেখক এলিয়েন বলেছেন তারা কিন্তু এলিয়েন নও তারা ছিল দুষ্টু জ্বীন যারা কিনা প্যাগানদের ধোঁকা দিয়ে মূর্তিপূজা করাতো! বর্তমানে হিন্দুধর্মাবলম্বীরা এখনো ঐ মৃত জ্বীনদেরই পূজা করে। আপনি জ্বীন জাতীর ইতিহাস পড়লে জানবেন যে বর্তমান বিজ্ঞানীরা এলিয়েনদের যে চেহারার বর্ণনা দিচ্ছেন তার সাথে ঐ দুষ্টু জ্বীনদের চেহারার সাদৃশ আছে। ঐ দুষ্টু জ্বীনরা একেকটা ছিল একেক রকম,কোনটা লম্বাটে অথবা বড় মাথার,কোনটা মানুষ অথবা কুমির আকৃতির আবার কোনটা ছিল হাতির মত শূর ওয়ালা। আসুন এক নজরে বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এলিয়েনদের সম্বন্ধে কিছু জেনে নিই, বিজ্ঞানীদের মতে এলিয়েনস ৩ প্রকার এবং ৩ চেহারার যথা, Friday, July 18, 2014
মানবতা যখন মাদকাশক্ত
উপরের ছবিটা দেখে দয়ামায়াহীন লোকের ও একটু হলে হৃদয়টা কেঁপে উঠবে। উপরের শিশুটা ইসরাইলের বিমান হামলায় শহীদ হয়েছে। ঘরের ভেতর বোধ হয় একাই ছিল বেচারি কন্যা শিশুটি আর শেষে পোহাতে হল পৃথিবীর জঘন্যতম মৃত যন্ত্রনা। এই শিশুটির পিতা অথবা মাতা যদি কেউ বেঁচে থাকে তবে তার হৃদয়ের অবস্থা কেমন হবে? তারা কি সহ্য করতে পারবেন তার নিজ শিশু কন্যার এমন দৃশ্য? এমন দৃশ্য যদি ফিলিস্তিনের কোন সেনা ইসরাইলের কোন শিশুকে করত তবে তাদের হাজারটা ঘৃণা জানাতাম আমরা। শিশুরা নিষ্পাপ মাছুম তাদেরকে হত্যা করাটা কোন ধর্ম সাপোর্ট দেয়না।সাপোর্ট দেয়না কোন সুস্থ মষ্তিষ্কের মানুষ। এপর্যন্ত খবর পেলাম প্রায় ২০০এর উপর মানুষ শহীদ হয়েছেন যাদের কিনা অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহত হয়েছে দেড় হাজারের উপরে তাদের মধ্যেও অধিকাংশ নারী ও শিশু।আর অপহৃত যা হয়েছে তার ও সিংহ ভাগ শিশু। জাতিসংঘের একটি নথিপত্রে লেখা আছে,শিশু নির্যাতন এবং নারী নির্যাতন উভয়ই বন্ধ করতে হবে। আবার প্রত্যেকটা দেশেই নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধের জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে। আপনি আমাদের দেশে দেখুন নারী ও শিশু নির্যাতনের এমন কঠিনতর আইন যে সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদন্ড! আবার জাতীসংঘ থেকে কড়াভাবে বলা হয়েছে,প্রত্যেকটা দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন অচীরেই বন্ধ করতে হবে। যেই জাতিসংঘ নারী ও শিশু নির্যাতনের বিপক্ষে এত্ত কথা বলে সেই জাতিসংঘই আজ ফিলিস্তিনের নারী ও শিশু হত্যায় নিরব ভূমিকা পালন করছে। আমি আগেই বলেছিলাম Humanrightএর Humanity হারিয়ে গিয়েছে ,Save The Children এর Humanity হারিয়ে গিয়েছে। Israeli strike 'kills Palestinian!Where is the lost Humanity? প্রত্যেক শিশুই নিষ্পাপ।এবং একেক জন একেকটি ফুল। ফিলিস্তিনের শিশুরা ফিলিস্তিনের ফুল আর ফিলিস্তিনের এই ফুলদের অকালে ঝড়িয়ে দিচ্ছে কিছু হায়েনা। আমরা জানি হিটলার হত্যা করেছিল ৬০লক্ষ ইহুদিকে যার জন্য কিনা তাকে পৃথিবীর সর্ব নিকৃষ্ট মানুষ হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়।
Tuesday, July 15, 2014
গাজাকে মুক্ত হস্তে দান করুন Donate For Gaza Strip !!!!
গোয়েন্দা উকিল-১ম পর্ব
সজীবের কাছে ১টি টেলিগ্রাম এলো তার কোলকাতার বন্ধু সুবল দাসের । সজীব কিছুটা গুরুত্ব দিয়েই চিঠিটার ভাজ খুল্ল কেননা ১মাস বাদে কোলকাতা থেকে চিঠি দিয়েছে তার বন্ধু। এতদিন পর মনে পরল তাহলে শালার।মনে মনে বল্ল সজীব। সজীব চিঠিটার ভাজ খুলে চোখ ছানাবড়া করে ফেল্ল চিঠিতে লেখা, প্রিয় বন্ধু সজীব, আশাকরি ভালই আছো,আমার অবস্থা খুবই সোচনীয়।কাল ঘরে ঢুকে তোমার বৌদিকে পাচ্ছিলাম না,একপর্যায়ে খুঁজতে খুঁজতে আমাদের শো'বার ঘরের উপরে তাঁকাতেই আমি কিছুটা ভরকে গেলাম।দেখলাম তোমার বৌদি উপরের ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে ,গলায় শাড়ির আচল প্যাঁচানো ।দ্রুত
Monday, July 14, 2014
ইসরাইলের বর্বরতা দেখুন!(ভিডিও)Israeli strike 'kills Palestinian!
Israeli strike 'kills Palestinian! কোথায় হারালো Humanity? ভিডিও নং-১ Israeli strike 'kills Palestinian!Where is the lost Humanity?Video No. -1
কোথায় গেল Humanrights? ভিডিও নং-২ Where Humanrights?Video No. - II
কোথায় গেল Save The Children এর কর্মকর্তাদের Humanity ভিডিও নং-৩ Where Humanity Video of Save The Children's officials -3
কোথায় গেল মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার শান্তিপ্রতিষ্ঠার বড় বড় মুলো ঝুলানি কথা বার্তা? ভিডিও নং-৪ Where was the U.S. President Barack Obama's message santipratisthara jhulani big prices?Video No. -4
z5AkFlAeCHE&rl=yes
কোথায় গেলো মুসলিম রাষ্ট্রগুলো? কেউ কি নেই এই ইয়াতিমদের পাশে দাঁড়ানোর? কেউ নেই তাদের সাহায্য করার? ভিডিও নং-৫ Where were the Muslim states?Not one to stand beside this iyatimadera?There is no one to help them?Video No. -5
কেন এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাচ্ছে ইহুদি ইসরাইল? Why liberal Jewish Israel terrorist activities?
সময় হয়েছে ইসরাইলকে ধ্বংস করে দেয়ার সকল মুসলমান প্রস্তুত হও! It is time for all Muslims to destroy isarail be ready!
Subscribe to:
Comments (Atom)