নব্য নাস্তিক ভন্ড শেখরের স্ট্যাটাস লিংক: https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=841398532558641&id=100000655068217&refid=17&_ft_&__tn__=%2As আমি এই পাঁচটি বছর ইতিহাস নিয়ে ঘাটছি ,ইসলামের ইতিহাস আমার প্রধান সাবজেক্ট ,কোথাও আমি এই কথাটা পাইনি যে হযরত হাসান ও হোসেন রাঃ কে যে ইয়াজিদ মেরেছে সেটা ইয়াজিদের পূর্ব পুরুষের প্রতিশোধ হিসেবে মেরেছে ! ইসলামের ইতিহাস ২য় খন্ড(Page No:225)এ একথা স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে হযরত হাসান রাঃ ও হোসেন রাঃ ইয়াজিদ মেরেছিল খিলাফাহর লোভে । তার সাথে আমার ডিবেট হয় প্রায় চার ঘন্টার ,আমি এই ভন্ড মিথ্যাবাদী ঐতিহাসিককে চ্যালেঞ্জ করেছিলাম যে একথা কোন ইতিহাসে নেই এমনকি ইহুদিদের ইতিহাসেও একথা নেই।[ইহুদিরা যেহেতু ইসলামের প্রধান শত্রু] ।পরে আমি তাকে ইসলামের ইতিহাস ২য় খন্ড(Page No:225)মুয়াবিয়া ,ইয়াজিদ ,হাসান রাঃ,হোসেন রাঃ এর অধ্যায়টি পড়তে বলি ।কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই যে,ভন্ডটি আমার মন্তব্যটি তার মূল স্ট্যাটাসে পেস্ট করে অন্য এক ভাইয়ের সাথে ডিবেট করেছে যা হাস্যকর!প্রমাণ দেখুন এখানে। অনেকেই বলেন যে,'জারজ মানেই নাস্তিক' কথাটা সত্য নয় ,সত্য হল এটামোহাম্মদের দুই দৌহিত্র(নাতি) হাসান ও হোসেন যে কারবালায় এজিদের দ্বারা শহীদ হবেন। এটা মোহাম্মদ মেরাজ থেকে জানেন নাই। মূলত জেনেছেন, জিবরাইল (আ) এর মাধ্যমে, জিবরাইল (আ) এর বার্তাবাহকের ভাষ্যটি ছিল এমন--আপনি এই সন্তানক স্নেহ করছেন; অথচ আপনার উম্মত-ভক্ত কিছু লোকই তাকে শহীদ করবে। হোসেনের কতল ও হাসানে বিষ ক্রিয়ার মৃত্যু মূলত ছিল-রাজনৈতিক ও পারিবারিক কোন্দল।হোসেনের কতল ছিল ক্ষমতার রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। ও হাসানের বিষ ক্রিয়ার মৃত্যু ছিল জয়নবকে ঘিরে পারিবারিক কোন্দল। ইতিহাসের নির্মম সত্য যে, পূর্ববতী ইতিহাস উত্তর পুরুষের হাতে পড়লে প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে উঠে। এজিদের পূর্বপুরুষ মোহাম্মদের দ্বারা নির্যাতিত ও অত্যাচারিত হয়ে মক্কা থেকে বিতাড়িত হয়। এজিদ খলিফা হওয়ার পর হোসেনের কতল ও হাসানের বিষ ক্রিয়ার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এজিদ তার পূর্বপুরুষের নির্যাতিত ও অত্যাচারিত হওয়ার প্রতিশোধ নেয়। এটাই বাস্তব সত্য!!!!
এই নব্য নাস্তিক ভূয়া ইতিহাসবীদ সেটা কিভাবে বিকৃত করেছে নমুনা দেখুন সাথে দেখুন তার সাঙ্গপাঙ্গদের রাসুল সাঃ কে নিয়ে কুরুচি পূর্ণ মন্তব্য:প্রতিটা জারজই নাস্তিক নয় কিন্তু প্রতিটা নাস্তিকই জারজ


[নোট:মোবাইল থেকে স্ক্রীনশট নেয়ার দরুন এভাবে ভাগ ভাগ করে দিতে হয়েছে] 
এবার এই ভন্ডকে দেখুন চিনতে পারেন কিনা ,যদি চিনে থাকেন তবে এখনই আইনি ব্যবস্থা নিন এই প্রতারককে ধরিয়ে দিন:
[নোট:উপরের ছবিটিতে চশমা দাড়ি কোনটাই নাই ,নিম্নের এই ছবিটিতে দেখুন ,চশমা ও দাড়ি থাকলে এই ভন্ডকে যেমন লাগবে]
সরকারকে আমি জোড় অনুরোধ করছি এই ভন্ড প্রতারকের বিরুদ্ধে সরকার যেন পদক্ষেপ নেয় ,পরে যদি আমাদের ইসলামিক মাইন্ডের ছেলে পেলেরা এর ব্যবস্থা নেয় তাহলে যেন সরকার আমাদের ইসলামিক মাইন্ডের ছেলেপেলেদের জঙ্গী না বলে ।রাসুলুল্লাহ্ সাঃ কে অবমাননার দায়ে ইরানে একটি ছেলের মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে আমাদের বাংলাদেশেও এই আইন পাশ হোক যাতে করে এই ভন্ড প্রতারকরা ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ,ইসলামের ইতিহাস নিয়ে মিথ্যাচার করতে না পারে। আর প্রথমে যে ৯০০০ সদস্য বিশিষ্ট গ্রুপ থেকে এই ভন্ড প্রতারক ঠগবাজ নাস্তিক শেখর সিরাজ এই মিথ্যা ইতিহাসটা ছড়িয়েছে সেই গ্রুপটার লিংক এবং এই গ্রুপ থেকেই প্রত্যহ আল্লাহ পাক ও রাসুল সাঃ কে অবমাননা করা হয়: https://m.facebook.com/groups/123766110994866 এই হিন্দুত্ববাদী নাস্তিকরা আসলে বাল(!)মনা থেকে যেটুকু শিখে সেইটুকুই এসে ছড়িয়ে দেয় যার না আছে কোন রেফারেন্স ,না আছে কিছু !এরা পারে অন্যের দেয়া মন্তব্য চুরি করে যুক্তি তর্কে জিততে !ঐযে কথা আছেনা ,বঙ্গ নাস্তিকরাও তেমন ,যুক্তি মানুক আর না মানুক তালগাছ তার চাই চাই সেটা যেভাবেই হোক! বাংলাদেশ সরকারের এমন একটা আইন করা উচিত্ যাতে করে ইসলামের বিপক্ষ শক্তি ইসলাম ও ইসলামের ইতিহাসকে বিকৃত করার সাহস না পায় ,ইসলামের ইতিহাস ও ইসলামের বিকৃতকারীর হাত কেঁটে দেওয়া ,বা তাকে মৃত্যুদন্ড দেয়া ইত্যাদি আইন করলে এদের লেজ গুটিয়ে যাবে। শেখ হাসিনাকে বলছি এদের কে শাস্তি দিন অন্যথায় আল্লাহর গজব থেকে রক্ষা পাবেননা । এটা শাহজালাল,শাহ পরাণ ,শাহ মাখদুম ,শরীয়তউল্লাহ্,তিতুমীর,নজরুল,মঈনুদ্দিনের জমিন এটা কোন নাস্তিকের জমিন নয় এটা মনে রাখবেন !শালিস মানি কিন্তু তালগাছটা আমার!
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চেতীতদের(মূলত এরা ভন্ড ,মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তো দূরে থাক এরা স্বার্থবাদী ,আর স্বার্থে ঘা লাগলে এরা চেয়ার মারামারি ,অপরকে খুন করতেও দ্বিধা করেন ।তখন কোথায় থাকে এদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ? এটা কোটি ডলারের একটি প্রশ্ন !
ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন-Click here to download This
[/caption] ভারতবর্ষে ইসলাম আসার পূর্বে নিম্নবর্ণের হিন্দু মেয়েরা বিয়ের আগে মন্দিরে সেবাদাসী হিসেবে কাজ করতে হতো। মন্দির ধোয়া মোছা থেকে শুরু করে মন্দিরের ব্রাক্ষন পুরাহিতদের শয্যাসঙ্গী হওয়া এরকম প্রায় সব কাজই তাদের করতে হত।ব্রাক্ষণ পুরাহিতরা এই নিম্নবর্ণের হিন্দু মেয়েদের সাথে প্রতিদিন উপুর্যপুরী FREE SEX করতো।মেয়েরা কিন্তু ব্রাক্ষনদের কেনা দাসী ছিল না তারা শুধু তাদের বিয়ের আগের সময়টা এই মন্দিরে কাজ করতো। বিয়ের পর নিম্ন বর্ণের হিন্দু মেয়েরা আর মন্দিরে যেত না।
এখনো হিন্দু মন্দিরে সেবাদাসী