যুদ্ধ বন্দিদের সাথে ISIS যে আচরন করে সেটা কি ইসলাম সাপোর্ট দেয় ? ISIS/ISIL যুদ্ধ বন্দিদের হত্যা করছে অথচ ইসলাম যুদ্ধ বন্দিদের সাথে উত্তম আচরন করতে বলে। ISIS (The Islamic State of Syria and Iraq) ’ এর যোদ্ধাদের রসদ, তাদের জানবাজ মুজাহিদদের মাসিক বেতন, অস্ত্র কেনার টাকা, এমনকি ‘মহান খলিফা‘র হাতের দামী রোলেক্স ঘড়িটার জোগাণও দিয়ে চলেছে সউদি আরব, কাতার ও আমিরাত! তাদের সুবিধার্থে নাকি নারীকে পাঠানো হচ্ছে যৌন জিহাদ করতে অথচ ইসলামে যৌন জিহাদ নামে কোন শব্দ নেই ।অনেক আলেমের গবেষনায় যৌন জিহাদ মুতা বিবাহ কে বলে থাকে। শিয়ার কিছু গোত্র এবং ওয়াহিবদের মাঝে এখনো মুতা বিবাহ্ চালু আছে কিন্তু ইসলামে মুতা বিবাহ বন্ধ করা হয়েছে সেই আবুবকর রা: এর আমলে ।
তালেবান এবং আলকায়েদা পয়দা করছিলেন আমেরিকা।হিলারি তার একটা বক্তব্যে এটা প্রকাশ করেন যে আলকায়েদার জন্মদাতা তারা । আলকায়েদার যে প্রশিক্ষন সেটা আমেরিকারই দেয়া । এখন দেখা যাচ্ছে ISIS কে এদের পয়দা দাতা কারা এটা নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ চলছে ।BOAN এর সদস্য "পারভেজ" আলমের এই লেখাটায় দেখুন এর আলামত কিছু পান কিনা। আবুবকর বাগদাদী ইহুদি সন্তান অতএব ISIS যে ইহুদিবাদী ইসরাইলের অথবা মার্কিনদের পাঠানো পারুদ বোমা না সেটাও ভাবা যায়না।[তথ্য সূত্র ]
ISIS কি চায় ?এক- ভঙ্গুর ইরাকের ভৌগলিক অখন্ডতাকে শেষ করে দেয়া। তেমনটা করতে পারলে, বিশেষ করে, কূর্দীস্থানকে আলাদা করতে পারলে ইসরাইলের জন্য পোয়াবারো। এই কূর্দীস্থান রাষ্ট্রের সাথে ইসরাইলের ইতোমধ্যেই গড়ে উঠা দহরম মহরম এখন অনেকটা ওপেন সিক্রেট! আর ইসরাইলের নেতিনিয়াহু তো ইতোমধ্যেই কূর্দীদের সাথে একত্রে কাজ করার ঘোষণা দিয়েই রেখেছে। কুর্দিস্থানের তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে কোনো কথা না বলাই ভালো। দুটি বন্ধু রাষ্ট্রের মধ্যে এরকম লেন দেন ব্যবসা বাণিজ্য হতেই পারে! আর কূর্দীস্থানকে দিয়ে তুরস্কের সাথে বোঝা পড়া করাটা ইসরাইলের পরবর্তি পরিকল্পনা, সে কথা এখন আর নাই বা আলোচনা করলাম। দুই- ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়ে এবং সে লক্ষ্যে জিহাদ পরিচালনা করার মাধ্যমে ইসরাইলের সীমান্ত ঘেঁষে অন্যতম মুসলিম সামরিক শক্তি সিরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়া গেছে, এটা ইসরাইলের জন্য, নিউকনদের জন্য এক বিরাট আত্বতৃপ্তির ব্যপার বটে। সমস্য হলো; সিরিয়ার আসাদ এখনও মাটি কামড়ে টিকে আছে, এ ব্যাটাকে শেষ করে দিতে পারলেই ইসরাইল নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে স্বস্তি পেতে পারতো। সে কাজটা দ্রুত শেষ করতে হবে বৈকি! তিন- একবার যদি ইরাকে এই খেলাফত প্রতিষ্ঠা করা যায়, একবার যদি মহান খলীফাকে বাগদাদের ক্ষমতায় বসানো যায়, তা হলে খুব শীঘ্রই নাটকের পরবর্তি পর্ব মঞ্চায়ন শুরু করা সম্ভব। সেটা কী? সেটা হলো বর্তমানে মিটি মিটি প্রজ্বলমাণ শিয়া-সুন্নী বিরোধকে উস্কে দিয়ে বাগদাদের মহান সুন্নী খলীফাকে দিয়ে শীয়া ইরানের বিরুদ্ধে জিহাদে নামিয়ে দেয়া। পারমাণবিক শক্তি অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাওয়া ইরান ইতোমধ্যেই সামরিক সক্ষমতায় সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে! তা ছাড়া তেল সরবরাহ‘সহ বৈশ্বিক বাণিজ্যের এক স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্ট হরমুজ প্রণালীর মুখে বসে থাকা ইরানকে শক্তিধর হতে দিলে বিশ্ব বেনীয়াদের লুটপাটে বিরাট বাধার সৃষ্টি হয়, অতএব তাকে শেষ করতে হবে। এ জন্য সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো শিয়া-সুন্নী লড়াই! এতে করে দুটো লাভ হবে। এক; ইরান দূর্বল হবে। আর, দুই; দূর্বল হবে তলে তলে বিরাট সামরিক শক্তির আধার হয়ে উঠা সউদি আরবও! এক্ষেত্রে টাকা পয়সা তেমন কোনে ব্যাপার না। টাকা তো দেবে সুন্নী কাতার, সউদি আরব আর আমিরাত। মনে আছে নিশ্চয়ই, সউদি আরব কী ভাবে জর্জ বুশ সিনিয়রের এক ধমকে সুড়সুড় করে সাদ্দাম হোসেনকে ইরান আক্রমণের জন্য ২৫.৭ বিলিয়ন ডলারের এক বিশাল অংক জুগিয়েছিলো! আজও তারা সেটা করে যাচ্ছে।
এখন কথা হল এই ISIS এর জন্য আপনারা সকল মুসলিমকেই টেরোরিস্ট বলতে পারেননা। শিবসেনা ,বজরং এর মত দলদের জন্য যেমন সকল হিন্দুদের আমরা টেরোরিস্ট বলতে পারিনা তেমনি ঐ ISIS এর জন্য আপনারাও পারেননা সকল মুসলিমকে টেরোরিস্ট বলতে । http://m.youtube.com/watch?v=gkEea_Eg66Y
No comments:
Post a Comment